দিদিকে বলো কর্মসূচী

 মিথ্যা একটা কর্মসূচী নিয়ে ছিলেন দিদিকে বলো।মানুষ কিছু সময়ের জন্য ঠকানো একটি কর্মসূচী। মানুষ সব বুঝে চোখ বুঁজে সহ্য করে তার কারন তুমি আমার সিপিএম ,তুমি আমার এটি এম,তুমি আমার সিরিজ প্রেমের শেষটা ।আম জনতার কোনো উপায় নেই ।বিকল্প নেই ।দাদার মতো দিদি নেই । দিদিকে বল কর্মসূচী কেন মিথ্যা বলছি তার জল জিয়ন্ত প্রমাণ হলো এই ID - DkB 42131256W .কী সমাধান হয়েছে? পুরুলিয়ার রঞ্জিত মাহাত এই কর্মসূচীর ব্যর্থতা ভাইরাল করেছিলন ।যার বাস্তবতা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ভুলেনি ।দূর্নীতি ষড়যন্ত্র রুখতে আবার আর একটা কর্মসূচী নেওয়ার ভাবনা চলছে ।কারন দিদির ভাইয়েদের লবিবাজিকে লাগামে আনতে এটা একটা কৌশল মাত্র ।তিনি বুঝে গেছেন দলের কোন্ট্রোল দলের দাদা দিদিদের হাতে নেই তার কারন অবশ্যই সিণ্ডিকেট রাজ ।এক শ্রেণীর নেতারা সিন্ডিকেটের দৌলতে মহীরুহ আর এক শ্রেণীর কর্মীরা দলটাকে ভালোবেসে নিজের স্বার্থ বির্সজন দিয়ে আগলে রেখেছে ।দলে তাদের গুরুত্ব নেই ।ভোটের সময় তাদের কাজে লাগায় ।ভোট পেরিয়ে গেলে কে কার?

দিদি দূর্নীতি রুখবেন! দুর্নীতি সবচেয়ে বড় আঁখড়া কোথায় ? সাধারণ মানুষ ভালোভাবে জানে ।দেহে কার কটা মাথা যে আপনাকে ফোন করে বলবে? চোখ যদি খোলা থাকে তাহলে ফোন করতে হবে কেন?  নেতাদের চাল চলন হাব ভাব দেখলেই বোঝা যায় । প্রায় এক যুগ ধরে স্বচ্ছ নিয়োগ নেই ।যা নিয়োগ হয়েছে সবই মাটির খেলা ।বেকার যুবক যুবতীরা ঘরে ঘরে ।স্কুল গুলিতে শিক্ষক নেই ।শিক্ষা ব্যবস্থা বিরাট ফাঁক । রেসিও মেনটেন নেই ।শহরের স্কুল গুলিতে পর্যাপ্ত শিক্ষক।গ্রামের স্কুল গুলি শূন্য । দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে বেকার যুবক যুবতীরা রাজপথে ।তবুও দেখা যায় না ।তার জন্য টোল ফ্রি নাম্বার কি খুব প্রয়োজন নাকি স্বদ ইচ্ছা অভাব । যে কোনো নিয়োগ সংক্রান্ত পরীক্ষায় দেখা যায় প্রশ্নপত্র উত্তরপত্র দুই নেট দুনিয়ায় ঘোরে ।আর সেই প্রশ্নোত্তরকে নিয়ে বিশাল অঙেকর টাকা লেনদেন হয় ।

2015 সালে এস এস সে নিয়োগে চরম দুর্নীতির কথা সংবাদ পত্রগুলিতে প্রতিদিন প্রকাশিত হয় ।পরীক্ষা হোলে দেখা গেচ্ছিল ভূগোলের খাপে বাংলার প্রশ্নপত্র ।জেনে বুঝে করা হয়েছিল ।সদ্য ভূয়ো নিয়োগপত্র কাণ্ডে আধিকারিকরা স্বীকার করেছেন ভুল হয়েছে ।ভুল যদি হয়ে থাকে তবে এস এস সি র চেয়ারম্যান ভুল করে নিজেকে গ্রুপ ডি এর কর্মী মনে করে ঝাড়ু দেয় না কেন?

আলেকজান্ডার এ দেশকে  327 খ্রিস্ট.পূ. বিচিত্র বলেছিলেন তার সুফল আমরা আজও পাচ্ছি । এই দূর্নীতি শেষ কোথায় ? কে বলতে পারে না ।

কয়েকদিন আগে রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের ঘটনা মানুষের মনকে বড়ই বিপর্যস্ত করে তোলে ।বিরোধীরা চেপে ধরে সরকারকে ।সরকার তড়িঘড়ি করে কেবিনেট মন্ত্রীকে পাঠায় কিন্তু তাতেও রক্ষা নেই।কেন্দ্রীয় দল এসে হাজির হয় । অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই হস্তক্ষেপ করেন । হাইকোর্ট রাজ্যসরকার প্রতি ভরসাহীন হয়ে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয় ।যদিও এর আগেয় মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে আনারুল হোসেন কে জেলে পুরার কথা বলেন ।কিন্তু এই চক্রান্তের পেছনে কারণ একটাই ।দুর্নীতি ।আনারুল হোসেন ,ভাদু শেখদের মতো নেতাদের আর্বিভাব সমাজের কলঙ্ক । সংবাদ  শিরোনামে প্রায় দেখা যায় বিভিন্ন বালি খাঁদান দখল নিয়ে দ্বন্ধ ।কেবল বালি খাদান নয় পাথর খাদান ,কয়লা ইত্যাদি পাচার জন্য তোলা আদায়কে কেন্দ্র করে খুনোখুনি হয়ে থাকে ।বালি পাচার কেবল বীরভূমে নয় কম বেশী প্রতিটি জেলাতে রয়েছে ।সরকার পাচার রুক্ষতে ব্যর্থ ।অজয়, দামোদর ময়ূরাক্ষী,কাসাই ,দ্বাকেশ্বর প্রতিটি নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালি পাচার হয় ।সরকার জেনে বুঝে কোনরকম ব্যবস্থা নেয়নি ।কারণ দিদির ভাইরা একাজে জড়িত । বীরভূমের জৈনক্য ব্যাবসী তথা শিল্পপতি বলেন বাম আমলে তোলা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এ সরকারে এসেছিলাম ।কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক আমি কোনো পরিবর্তন দেখতে পাইনি তাই রাজনৈতিক সন্ন্যাস নিয়েছি ।

তাহলে দূর্নীতির জন্য যদি দিদিকে বলো কর্মসূচী নেওয়া হয় পার্টির ভবিষ্যত কী হবে দিদি নিশ্চয় জানেন ।তাই প্রথমে প্রচার করে দেওয়া যাক এমন একটা কর্মসূচীর কথা যাতে ভাইরা আগামী কতেক মাস সাবধান হয়ে যাক।আর পঞ্চায়েত ভোটের আগে টিকিটের টোপ দিয়ে সকল গোষ্ঠীকে এক করে বৈতরণী পার হব ।দিদি তো বলেছিলেন বন সহায়ক  নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে ।গাদ্দার করেছেন ।দলে আসার পর গঙ্গা জলে ধুয়ে তাকে কোনো রাজ্য দায়িত্বে পাঠিয়েছেন ।সুতরাং মুখে বলে সুখ পাওয়া যায় ঠিকই কিন্তু মানুষের মন ভেঙে গেলে মন পাওয়া যায় না ।



Comments

Popular posts from this blog

দূর্নীতিটা নতুন নয়

বেলা গড়িয়ে