নীল দিগন্তে
অরিত্রের ভাবনাটা জ্যামিতিক আকার নেইনি। বৃষ্টির বিন্দু মতো পৃষ্ঠাটানও নেই অথবা আঁকন্দ ফুলের ওড়ার মতো উদ্দাম নেই ।তবে পলাশ জানে না এ বসন্ত কার?
নির্মাণ অনির্মাণের ভিতর চঞ্চলতা ।অপেক্ষা ।সাগর গোয়ালা জানে না আজ আবীরের খেলা ।সাগর গোয়ালা জানে না আজ দোল পূর্ণিমা। বসন্ত কার অপেক্ষা অথবা অপেক্ষা নিরসন ।যুদ্ধবাজদের সাইরেনের কান ঝালা পালা ।ইউক্রেন ফেরত তরণী ডাক্তারের।শংকর বাঙ্কার জীবন ।আরও ভয় করে ।
ভোর থেকে কোকিলটা ডাকছে ।ফিঙে উড়ে উড়ে শিকার করছে ।নদীর উচ্ছল গতি রুদ্ধ করে দিয়েছে সিণ্ডিকেটের উন্নয়ন ।পাহাড় কেটে বসেছে জলবিদ্যুতের টাইবার ।হাজার হাজার পলাশের সৌন্দর্য মুছে তৈরি হয়েছে স্টার নামাঙ্কিত রির্সোট ।প্রকৃতির সহনশীলতা কাজ লাগিয়ে মেকি উন্নয়নের ছাপ চারদিকে ।কিন্তু জনজীবনের মানোন্নয়ন জিঞ্জাসা চিহ্নে ।
Comments
Post a Comment