নীল দিগন্তে

 অরিত্রের ভাবনাটা জ্যামিতিক আকার নেইনি। বৃষ্টির বিন্দু মতো পৃষ্ঠাটানও নেই অথবা আঁকন্দ ফুলের ওড়ার মতো উদ্দাম নেই ।তবে পলাশ জানে না এ বসন্ত কার?

নির্মাণ অনির্মাণের ভিতর চঞ্চলতা ।অপেক্ষা ।সাগর গোয়ালা জানে না আজ আবীরের খেলা ।সাগর গোয়ালা জানে না আজ দোল পূর্ণিমা। বসন্ত কার অপেক্ষা অথবা অপেক্ষা নিরসন ।যুদ্ধবাজদের সাইরেনের কান ঝালা পালা ।ইউক্রেন ফেরত তরণী ডাক্তারের।শংকর বাঙ্কার জীবন ।আরও ভয় করে ।

ভোর থেকে কোকিলটা ডাকছে ।ফিঙে উড়ে উড়ে শিকার করছে ।নদীর উচ্ছল গতি রুদ্ধ করে দিয়েছে সিণ্ডিকেটের উন্নয়ন ।পাহাড় কেটে বসেছে জলবিদ্যুতের টাইবার ।হাজার হাজার পলাশের সৌন্দর্য মুছে তৈরি হয়েছে স্টার নামাঙ্কিত রির্সোট ।প্রকৃতির সহনশীলতা কাজ লাগিয়ে মেকি উন্নয়নের ছাপ চারদিকে ।কিন্তু জনজীবনের মানোন্নয়ন জিঞ্জাসা চিহ্নে ।

আমি জানি তুমি নীরব থাকবে উন্নয়ন ।নীরবতা তোমাকে পিছু ছাড়বে না ।সুদেষ্ঞা আজ রঙ মাখবে ।নীবেদিতা আবীর মাখবে ।সেই আবীর যদি পলাশের হয় তবে তোমার মনে দাগ কাটবেই।সুরহারা বাঁশি খুঁজে পাবে নতুন সুর ।জীবনের অস্থিরতা কেটে গিয়ে পাবে নতুন আনন্দ ।সেই আনন্দের ভাগ তোমারও ।তোমার হৃদয়ের আড়োলন রেখে যাবে কারো অন্তকরণের চাহিদা ।দক্ষিণ বারান্দা থেকে বেজে উঠছে রবি ঠাকুরের গান.....নীল দিগন্তে........


Comments

Popular posts from this blog

দিদিকে বলো কর্মসূচী

দূর্নীতিটা নতুন নয়

বেলা গড়িয়ে