শিক্ষায় এখন গড়পেটা
নিজের অক্ষমতা ঢাকতে শিক্ষায় গড়পেটা ।গত দুবছর কোভিডের জন্য স্কুলে পড়ানো হয়নি তাই এক বছর উচ্চ মাধ্যমিকে গড় নাম্বার দিয়ে ভালো ছাত্র ছাত্রীদের বারোটা বাজিয়ে দিল ।আর এ বছর হোম সেন্টার করে নামী স্কুলের বারোটা বাজিয়ে দিল । এর জন্য দায়ী রাজ্য সরকার ।শিক্ষায় যে প্রহসন হচ্ছে তা আমি আপনি সকলেই জানি । দায়ী স্কুল নয়, শিক্ষক নয়, ছাত্রছাত্রী নয় ।দায়ী শিক্ষা ব্যবস্থা । রাজনীতি করতে করতে বাংলা শেষ হতে চলেছে তবু নিজেদের সাধু প্রমাণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ।কিন্তু সময় কারো জন্য অপেক্ষায় থাকে না ।তার গতি অনন্ত ।আর এই অনন্ত গতির সঙ্গে তাল মিলাতে গিয়ে হারিয়ে ফেলছে ব্যবস্থা ।যার নাম শিক্ষা ।শিক্ষা সমাজের মেরুদণ্ড । সুতরাং মেরুদণ্ড ভেঙে দাও তাহলে ভুতের দেশে আর ভয় বলে কিছু থাকবে না ।আমাদের লুটরাজ চলবে অনন্তকাল ব্যাপী । তাই নিয়োগ ও নেই । যা আছে তা ক্যাডার নিয়োগ ।যাদের উপর ভর করে ভোট বৈতরণী পার হবে বছর বছর।আর তাদের জন্যই রাজ্য সরকার কে যেতে হচ্চে কোর্ট ।অ্যাপিল করতে হচ্ছে তাদের হয়ে ।কারণ স্বচ্ছতার অভাব । তাই আজ ডাক পড়ছে শিক্ষামন্ত্রীকে ,রঞ্জনকে ,শান্তিপ্রসাদকে ।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দূর্নীতি হয়েছে চরম ।আমারা প্রাক্তন সিবিআই কর্তা মুখের কথাকে বিশ্বাস করতেই হয় কারণ তিনি সাধারণ মানুষ নন ,তিনি একজন মন্ত্রীও ছিলেন ।শিক্ষিত বেকার যুবকদের সব সময় শুনতে হয় তোরটা হল না ।টাকা দিলেই হবে ।শুধু পড়াশোনা করলে চাকুরী এ আমলে পাওয়া যাই না ।কড়ি চায় ।তুমি কোন পাশ নাহলেও চলবে ।টাকায় সব জোগাড় হয়ে যাবে ।এজেন্টরা চুক্তি করে নিয়েছে ।মাধ্যমিকপাস,উচ্চমাধ্যমিক,ডিএল এড সহ পনেরো লক্ষ।এই চুক্তিতে অনেক নিরক্ষর শিক্ষক শিক্ষকতা করছেন।আবার 2012 প্রাথমিকের দিকে তাকালে দেখা যাবে সিটিং ম্যানেজমেন্ট ব্যাপক শিক্ষক তাদের আত্মীয় কে পাস করার জন্য পাশাপাশি বসে সাহায্য করেছে । সুতরাং শিক্ষাকে রাজনীতিকরণ করার জন্য এসব চিরকাল থাকে ।কোন সময় আকারটা ব্যাপক কখনও বা সীমিত ।কালে কালে রোদ্দূর রায় আসে,রঞ্জণ আসে ,আশিষ গঙ্গোপাধ্যায় আসেন ।আর আমরা রাজার রাজত্ব দেখি আর নীরব থাকি ।
Comments
Post a Comment