শ্রী যে বিশ্রী হয়
রাজ্য সরকারের সুপ্রীমো শব্দের শেষে শ্রী লাগাতে লাগাতে বিশ্রী করে ফেলেছে তার বড় প্রমাণ শিক্ষা ব্যবস্থায় নবতম সংযোগ উৎসশ্রী ।আজ একজন প্রধান শিক্ষক হাতজোড় করে অনুরোধ করলেন যে, ভেবে বুঝে যে কোন প্রকল্প আনা দরকার কারণ তিনি বুঝতে পারছে শিক্ষা ব্যবস্থা লাটে উঠেছে । শিক্ষক বদলির এই নীতি জেলার বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষকের সংখ্যা শূন্য ।শূন্য হল কেন ? শিক্ষায় ব্যবস্থায় শান্তি প্রসাদ সিনহার মতো ব্যক্তিত্ব বসালে যা হয় তাই হয়েছে । প্রতিটি জেলায় একী অবস্থা ।পুরুলিয়ায় তাই ।নেপাল বাবু বাঘমুন্ডিতে বনধ ডাকলেন ।সরকার শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করলেন ।কয়েকজন প্রাথমিক শিক্ষককে পাঠালেন ।কিন্তু গোটা রাজ্যের চিত্র তো একই ।সস্তা রাজনীতি করতে করতে বাংলা যে পিছিয়ে পড়ছে তা খেয়াল নেই ।পুরুলিয়া ডি .আই থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট বলছে প্রায় 700 জন শিক্ষক মেডিকেল গ্রাউণ্ড ট্রান্সফার হয়েছে ।সেখানেই প্রশ্ন।একসঙ্গে এতগুলো শিক্ষকের শরীর খারাপ ? না অন্যকিছু ।সরকার শিক্ষক নিয়োগ না করে কেন ট্রান্সফার কথা ভাবল ।ঘাপলা আছে বস ! বড় কিছু ? না সরকার চায় শিক্ষাটা পঞ্জীপতিদের হাতে তুলে দিতে ।বিনিময়ে পাবে আর্থিক সাহায্য ।ভোট রাজনীতি ।ভোটের জন্য সব করতে পারে ।শিক্ষাকে লাটে তুলে মোমো বানাতে পারেন।শিক্ষাকে লাটে তুলে রাস্তা ধারে চায়ের দোকানে চা বানাতে পারেন। কী না পারে গান , কবিতা ছবি আঁকতে,চপ ভাঁজতে পারে ।তবে যেটা বেশী পারে সেটা হল ঢপ দিতে ।রাজ্যের সুপ্রিমো যখন ঢপের কেত্তন করে তার মন্ত্রী মহাশয় ব্রাত্য তো থাকতে পারে না।তিনি মাঝে মাঝে দোহারা দেন ।প্রতি দূর্গা পূজার আগে ঘোষণা করেন পঞ্চাশ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ।এস.এস.সি বা প্রাথমিক পর্ষদ বিঞ্জাপণে জানিয়ে দেয় ।তাই মানুষের বিশ্বাসটা হারিয়ে যাচ্ছে ।ভোটে জিতে আসা দল গুলি কতটা গণতন্ত্র রক্ষা করে আমরা সকলেই জানি ।মানুষের ভালোবাসা শ্রী দিয়ে হয় না ।শ্রী তখনই দেওয়া উচিত যখন শ্রীটা সুশ্রী হয় ।গরীবকে , বেকারকে স্বনির্ভর করে,চাকুরি দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা সরকারের কর্তব্য ।তবেই কর্তব্যপরায়ণ হওয়া যায় ।
তুমি আমাদের দলে নাম লেখাও তোমার নামে একটা সিন্ডিকেত লাইসেন্স করে দেব ।ফাণ্ডে 10% দিয়ে তুমি ইচ্ছামত কাজ কর ।পাহাড় হাসছে কারণ জানেন , বাংলার অবস্থা দেখে । আমাদের নিমাই বাবু বলেন কি জানেন , কলকাতায় এত বড় 'ব' কেন জানেন? ব -এ বদনাম ,বকলম,বদমাইশ, বেহায়া এর পর বাংলা ,তার পর বাঙালি ।কলকাতার লোকে বলে ব এ ববি হাকিম আর ব এ ব্রাত্য বসু । এরা যখন ধন্য করে দিয়েছে তখন বাংলার ইতিহাস লেখা হবে ।সেই ইতিহাসে শুধু বিরূপতা থাকবে ।অনুশোচনা থাকবে বিদ্যালয় গুলিতে পরিয়ডের ঘন্টা এখন পড়ে না ।
Comments
Post a Comment