Posts

দূর্নীতিটা নতুন নয়

Image
 অনেক আগে বর্তমান  সরকার  যিনি সর্তক করেছিলেন একজন  প্রাক্তন  বিধায়ক  কিন্তু সেদিন তার পাশে কেউ ছিলেন না। তিনি  বিধানসভার মূল ফটকের  সামনে প্ল্যাকার্ড নিয়ে  একা ধর্নায়  বসেছিলেন কিন্তু কেউ তাঁকে পাত্তা দেননি। মাননীয়  মন্ত্রী  ফিরাদ হাকিম   অনুরোধ  করেছিলেন ধর্না  তুলো নেওয়ার জন্য  এবং কথা দিয়েছিলেন  আলোচনায় সকল  মিটিয়ে  নেওয়া হবে। কিন্তু সমস্যা  কতটা  সমাধান  হয়েছে  জানিনা  তবে সেই বিশিষ্ট  শিল্পপতি  তথা  বিধায়ক  বিধায়ক  পদ  থেকে নিজেকে  সরিয়ে  নিয়েছিলেন। কোনো মিডিয়া সেকথা  বলে  না। কারণ  জানি না ,  তবে  তাঁর  কথা একটু  মন দিলে  পার্টির এই  দূরাবস্থা  দেখতে হত না। তিনি প্রথম  দুর্নীতির বিরুদ্ধে  সোচ্চার  হয়েছিলেন। পা্র্টির অভ্যন্তরে মনোমালিন্য হয়। 

টোপ সংস্কৃতি

 বাংলায় মাঝে মাঝে শোনা যায় একটা কথা ,বেকার যুবক যুবতীদের কথা মাথা রেখে আজ ক্যাবিনেটে পাশ হল চুক্তি ভিত্তিক আর বার হাজার কর্মী নেওয়া হবে । নেওয়া হইও কিন্তু কীভাবে নিয়োগ হল কেউ জানে না।  অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ হল কিন্তু সাধারণরা সাইটে গিয়ে ঢুকতে পারে না অথবা error site দেখিয়ে নির্দিষ্ট দিন পার করে দিয়ে কেল্লা ফতে । আসলে মনোভাবটা কী ? ঢপ ।ঢপ কথা শুনতে শুনতে সয়ে গেছে। বললে মনে হয় দিল্লি কা লাড্ডু । গত বছর মানে বিধানসভা ভোটের আগে ঢপ দিয়েছিল তেত্রিশ হাজার ছেলে মেয়েরা চাকরি পাবে। যেন চৈত্রসেলে বিক্রি হচ্ছে চাকুরি । হয়েওছেন ।গ্রুপ ডি চাকুরি ।এস এল এস টি এমন কি পিএসসিরও ।যাদের টাকা আছে তারা কেজি দরে কিনেছে । তার পর আমরা কোর্টের রায়ে দেখছি কী অবস্থা ।  চাকুরি নামে প্রহসন ।বাম আমলেও ছিল ,কংগ্রেস আমলে ছিল এখন সেটা নতুন ভাবে সংস্করণ হয়েছে ।স্বচ্ছতা দেখাতে গিয়ে অস্বচ্ছতার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে । দুর্নীতি।দূর্নীতি । চারি দিকে দুর্নীতি ।এখন দূর্নীতি টা যেন ফ্যাশন ।এক শ্রেণীর  আমলা বা রাজনৈতিক নেতা দুর্নীতিকে প্রশয় দিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে ।

শ্রী যে বিশ্রী হয়

 রাজ্য সরকারের সুপ্রীমো শব্দের শেষে শ্রী লাগাতে লাগাতে বিশ্রী করে ফেলেছে তার বড় প্রমাণ শিক্ষা ব্যবস্থায় নবতম সংযোগ উৎসশ্রী ।আজ একজন প্রধান শিক্ষক হাতজোড় করে অনুরোধ করলেন যে, ভেবে বুঝে যে কোন প্রকল্প আনা দরকার কারণ তিনি বুঝতে পারছে শিক্ষা ব্যবস্থা লাটে উঠেছে । শিক্ষক বদলির এই নীতি জেলার বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষকের সংখ্যা শূন্য ।শূন্য হল কেন ? শিক্ষায় ব্যবস্থায় শান্তি প্রসাদ সিনহার মতো ব্যক্তিত্ব বসালে যা হয় তাই হয়েছে । প্রতিটি জেলায় একী অবস্থা ।পুরুলিয়ায় তাই ।নেপাল বাবু বাঘমুন্ডিতে বনধ ডাকলেন ।সরকার  শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করলেন ।কয়েকজন প্রাথমিক শিক্ষককে পাঠালেন ।কিন্তু গোটা রাজ্যের চিত্র  তো একই ।সস্তা রাজনীতি করতে করতে বাংলা যে পিছিয়ে পড়ছে  তা খেয়াল নেই ।পুরুলিয়া ডি .আই থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট বলছে প্রায় 700 জন শিক্ষক মেডিকেল গ্রাউণ্ড ট্রান্সফার হয়েছে ।সেখানেই প্রশ্ন।একসঙ্গে এতগুলো শিক্ষকের শরীর খারাপ ? না অন্যকিছু ।সরকার শিক্ষক নিয়োগ না করে কেন ট্রান্সফার কথা ভাবল ।ঘাপলা আছে বস ! বড় কিছু ? না  সরকার চায় শিক্ষাটা পঞ্জীপতিদের হাতে তুলে দিতে ।বিনিময়ে পাবে আর্থি...

শিক্ষায় এখন গড়পেটা

 নিজের অক্ষমতা ঢাকতে শিক্ষায় গড়পেটা ।গত দুবছর কোভিডের জন্য স্কুলে পড়ানো হয়নি তাই এক বছর উচ্চ মাধ্যমিকে গড় নাম্বার দিয়ে ভালো ছাত্র ছাত্রীদের বারোটা বাজিয়ে দিল ।আর এ বছর হোম সেন্টার করে নামী স্কুলের বারোটা বাজিয়ে দিল । এর জন্য দায়ী রাজ্য সরকার ।শিক্ষায় যে প্রহসন হচ্ছে তা আমি আপনি সকলেই জানি । দায়ী স্কুল নয়, শিক্ষক নয়, ছাত্রছাত্রী নয় ।দায়ী শিক্ষা ব্যবস্থা । রাজনীতি করতে করতে বাংলা শেষ হতে চলেছে তবু নিজেদের সাধু প্রমাণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ।কিন্তু সময় কারো জন্য অপেক্ষায় থাকে না ।তার গতি অনন্ত ।আর এই অনন্ত গতির সঙ্গে তাল মিলাতে গিয়ে  হারিয়ে ফেলছে ব্যবস্থা ।যার নাম শিক্ষা ।শিক্ষা সমাজের মেরুদণ্ড । সুতরাং মেরুদণ্ড ভেঙে দাও তাহলে ভুতের দেশে আর ভয় বলে কিছু থাকবে না ।আমাদের লুটরাজ চলবে অনন্তকাল ব্যাপী । তাই নিয়োগ ও নেই । যা আছে তা ক্যাডার নিয়োগ ।যাদের উপর ভর করে ভোট বৈতরণী পার হবে বছর বছর।আর তাদের জন্যই রাজ্য সরকার কে যেতে হচ্চে কোর্ট ।অ্যাপিল করতে হচ্ছে তাদের হয়ে ।কারণ স্বচ্ছতার অভাব । তাই আজ ডাক পড়ছে শিক্ষামন্ত্রীকে ,রঞ্জনকে ,শান্তিপ্রসাদকে ।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দূর্নীতি হয়ে...

দিদিকে বলো কর্মসূচী

Image
 মিথ্যা একটা কর্মসূচী নিয়ে ছিলেন দিদিকে বলো।মানুষ কিছু সময়ের জন্য ঠকানো একটি কর্মসূচী। মানুষ সব বুঝে চোখ বুঁজে সহ্য করে তার কারন তুমি আমার সিপিএম ,তুমি আমার এটি এম,তুমি আমার সিরিজ প্রেমের শেষটা ।আম জনতার কোনো উপায় নেই ।বিকল্প নেই ।দাদার মতো দিদি নেই । দিদিকে বল কর্মসূচী কেন মিথ্যা বলছি তার জল জিয়ন্ত প্রমাণ হলো এই ID - DkB 42131256W .কী সমাধান হয়েছে? পুরুলিয়ার রঞ্জিত মাহাত এই কর্মসূচীর ব্যর্থতা ভাইরাল করেছিলন ।যার বাস্তবতা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ভুলেনি ।দূর্নীতি ষড়যন্ত্র রুখতে আবার আর একটা কর্মসূচী নেওয়ার ভাবনা চলছে ।কারন দিদির ভাইয়েদের লবিবাজিকে লাগামে আনতে এটা একটা কৌশল মাত্র ।তিনি বুঝে গেছেন দলের কোন্ট্রোল দলের দাদা দিদিদের হাতে নেই তার কারন অবশ্যই সিণ্ডিকেট রাজ ।এক শ্রেণীর নেতারা সিন্ডিকেটের দৌলতে মহীরুহ আর এক শ্রেণীর কর্মীরা দলটাকে ভালোবেসে নিজের স্বার্থ বির্সজন দিয়ে আগলে রেখেছে ।দলে তাদের গুরুত্ব নেই ।ভোটের সময় তাদের কাজে লাগায় ।ভোট পেরিয়ে গেলে কে কার? দিদি দূর্নীতি রুখবেন! দুর্নীতি সবচেয়ে বড় আঁখড়া কোথায় ? সাধারণ মানুষ ভালোভাবে জানে ।দেহে কার কটা মাথা যে আপনাকে ফোন করে বলবে? চো...

অনন্তের দিকে

Image
  কাশফুল দেখলে মনে পড়ে অপু দূর্গার কথা ।

বেলা গড়িয়ে

Image
  ছোটোবেলায় দেখেছি  অস্থিরতার রাজনীতি ।সিপিএমের জুলুম রাজ।দেখেছি মানুষ কিভাবে সিপিএমের হাত থেকে পরিত্রাণের জন্য আশ্রয় খুঁজত।এসব কথা এখন ইতিহাস ।যাদের দাপটে বাঘে- গরুতে এক ঘটে জল খাত । তাদের এখন অবস্থা আরণ্যক উপন্যাসের দোবরু পান্নার মত । তাই বলি  ক্ষমতার দাস হয়ে যারা মানুষকে  মানুষ বলে গণ্য করে না তাদেরকে ইতিহাস ক্ষমা করে না।  এই অত্যাচার একটি গল্প আজ বলব-- (ঘটনা সত্য কেবল চরিত্রগুলির নাম পরিবর্তন করা হলো।) সিজান নাপিতের একমাত্র কন্যার পাকা দেখা হল সিরকাবাদের শম্ভু পরামানিকের সঙ্গে ।বিয়ে ঠিক হল বৈশাখ মাসের প্রথম দিকে হবে।পণ স্বরূপ নগদ বিশ হাজার টাকা কিছু যৌতুকস্বরূপ অলংকার। নগদ পণ টাকা জোগাড় হলে বাড়ির খরচ এবং অলংকারের টাকা জোগাড় হয়নি। সিজান নাপিত তখন ঠিক করলে একটা ধানী জমি বিক্রি করার ।জমি বিক্রির জন্য খরিদ্দারের খোঁজ পেল। মানিক ময়রা জমিটা কিনবে।  মানিক সম্মতি হল ।বিয়ের জন্য জমির নাহ্য দাম দিল। টাকা মিটিয়ে দিল। বিয়ের পরে রেজিট্রি। সাক্ষী থাকল নিপু নাপিত। ভালই ভাল বিয়ে পেরিয়ে গেল। মানিক রেজিট্রির জন্য তাড়া দিতে লাগল ।সিজানও দিন ঠেলতে লাগল ।এভাবে দু চারটা ...