Posts

Showing posts from March, 2022

দিদিকে বলো কর্মসূচী

Image
 মিথ্যা একটা কর্মসূচী নিয়ে ছিলেন দিদিকে বলো।মানুষ কিছু সময়ের জন্য ঠকানো একটি কর্মসূচী। মানুষ সব বুঝে চোখ বুঁজে সহ্য করে তার কারন তুমি আমার সিপিএম ,তুমি আমার এটি এম,তুমি আমার সিরিজ প্রেমের শেষটা ।আম জনতার কোনো উপায় নেই ।বিকল্প নেই ।দাদার মতো দিদি নেই । দিদিকে বল কর্মসূচী কেন মিথ্যা বলছি তার জল জিয়ন্ত প্রমাণ হলো এই ID - DkB 42131256W .কী সমাধান হয়েছে? পুরুলিয়ার রঞ্জিত মাহাত এই কর্মসূচীর ব্যর্থতা ভাইরাল করেছিলন ।যার বাস্তবতা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ভুলেনি ।দূর্নীতি ষড়যন্ত্র রুখতে আবার আর একটা কর্মসূচী নেওয়ার ভাবনা চলছে ।কারন দিদির ভাইয়েদের লবিবাজিকে লাগামে আনতে এটা একটা কৌশল মাত্র ।তিনি বুঝে গেছেন দলের কোন্ট্রোল দলের দাদা দিদিদের হাতে নেই তার কারন অবশ্যই সিণ্ডিকেট রাজ ।এক শ্রেণীর নেতারা সিন্ডিকেটের দৌলতে মহীরুহ আর এক শ্রেণীর কর্মীরা দলটাকে ভালোবেসে নিজের স্বার্থ বির্সজন দিয়ে আগলে রেখেছে ।দলে তাদের গুরুত্ব নেই ।ভোটের সময় তাদের কাজে লাগায় ।ভোট পেরিয়ে গেলে কে কার? দিদি দূর্নীতি রুখবেন! দুর্নীতি সবচেয়ে বড় আঁখড়া কোথায় ? সাধারণ মানুষ ভালোভাবে জানে ।দেহে কার কটা মাথা যে আপনাকে ফোন করে বলবে? চো...

অনন্তের দিকে

Image
  কাশফুল দেখলে মনে পড়ে অপু দূর্গার কথা ।

বেলা গড়িয়ে

Image
  ছোটোবেলায় দেখেছি  অস্থিরতার রাজনীতি ।সিপিএমের জুলুম রাজ।দেখেছি মানুষ কিভাবে সিপিএমের হাত থেকে পরিত্রাণের জন্য আশ্রয় খুঁজত।এসব কথা এখন ইতিহাস ।যাদের দাপটে বাঘে- গরুতে এক ঘটে জল খাত । তাদের এখন অবস্থা আরণ্যক উপন্যাসের দোবরু পান্নার মত । তাই বলি  ক্ষমতার দাস হয়ে যারা মানুষকে  মানুষ বলে গণ্য করে না তাদেরকে ইতিহাস ক্ষমা করে না।  এই অত্যাচার একটি গল্প আজ বলব-- (ঘটনা সত্য কেবল চরিত্রগুলির নাম পরিবর্তন করা হলো।) সিজান নাপিতের একমাত্র কন্যার পাকা দেখা হল সিরকাবাদের শম্ভু পরামানিকের সঙ্গে ।বিয়ে ঠিক হল বৈশাখ মাসের প্রথম দিকে হবে।পণ স্বরূপ নগদ বিশ হাজার টাকা কিছু যৌতুকস্বরূপ অলংকার। নগদ পণ টাকা জোগাড় হলে বাড়ির খরচ এবং অলংকারের টাকা জোগাড় হয়নি। সিজান নাপিত তখন ঠিক করলে একটা ধানী জমি বিক্রি করার ।জমি বিক্রির জন্য খরিদ্দারের খোঁজ পেল। মানিক ময়রা জমিটা কিনবে।  মানিক সম্মতি হল ।বিয়ের জন্য জমির নাহ্য দাম দিল। টাকা মিটিয়ে দিল। বিয়ের পরে রেজিট্রি। সাক্ষী থাকল নিপু নাপিত। ভালই ভাল বিয়ে পেরিয়ে গেল। মানিক রেজিট্রির জন্য তাড়া দিতে লাগল ।সিজানও দিন ঠেলতে লাগল ।এভাবে দু চারটা ...

শিক্ষায় গলদ

সংবাদপত্রের রঙ করা গল্প নয় ।একেবারে বাস্তব । তার প্রমাণস্বরূপ এ রাজ্যে শিক্ষার বাস্তব রূঢ় ছবিটা নিশ্চল কারো নজর এড়ায় না । ছবিটা আরো করুণে পরিণত করেছে করোনাকাল ।বিশেষ করে গ্রাম্য বিদ্যালয়গুলির অবস্থা দেখলে বোঝা যায় শিক্ষার মান কোথায়? সরকারী ও সরকার পোষিত স্কুলগুলির পরিণত সবচেয়ে খারাপ ।বেশির ভাগই স্কুলে নেই শিক্ষক ।দীর্ঘদিন নিয়োগ নেই। শূন্যপদ পূরণ হয়নি ।স্বচ্ছতার অভাবে তৈরি হয়েছে আইনি জটিলতা ।আকছার দেখা যাচ্ছে এক জন শিক্ষক বা শিক্ষিকা চালাচ্ছেন একটা আস্ত স্কুল ।বিচিত্র লাগে,না ।এটাই বাস্তব ।অন্যদিকে সারা রাজ্যে বেসরকারী সেগুলোর ব্যবসা রমরমিয়ে চলছে ।পয়সাওয়লাদের শিক্ষার দোকান ।দরিদ্র  মধ্যবিত্তদের স্বপ্নাতীত ।সরকারী বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাওয়ার জন্য গরীবদের এই একটাই পথ  । সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষক ছাত্র অনুপাত ঠিক মতো থাকলে শিক্ষার মান কিন্তু ধরে রাখতে পারেননি ।তার কারণ বাম আমল থেকে পার্টি কেয়ার শিক্ষক তৈরি করা ।বাম আমলকে অনুসরণ করে বর্তমান আনলে একই অবস্থা ।তাই প্রাথমিক স্কুলগুলিতে শিক্ষা  হয়নি,ক্যাডার পোষিত হচ্ছে । অপরদিকে বেসরকারী স্কুলগুলি টিউশনি ফিজের যেমন...

লক্ষ্মীরভাণ্ডার

 সরলা দেবী প্রথম  পশ্চিমবঙ্গের বুকে লক্ষ্মীভাণ্ডার গঠন করেছিলেন ।তাঁর উদ্দেশ্য ও বর্তমান সরকারের উদ্দেশ্য একই হলেও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ একে অসমতার ধ্রুবক বলেছেন ।সরকারের চেয়ারে উপবিষ্ট অর্থনীতিবিদ মনে করেন সাধারণ মানুষকে রিলিফ দেওয়া জন্যএ সময় কিছু অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন ।বেশ,সরকার মেঘ না চাইতে জল।তিনি লেগে পড়লেন ।এটা মোক্ষম সময় ।সামনে নির্বাচন ।ভোট ব্যাঙ্ক ঠিক রাখতে হবে । দানছত্র ।কিন্তু এভাবে অর্থদান করে কি সামাজিক উন্নতি ঘটবে ? সকলের মনে প্রশ্ন জাগে ।বর্তমান যে সামাজিক প্রকল্পগুলি আছে,তাতে দেখা গেছে বেশীরভাগেই দান, দান দান ।যেমন- রূপশ্রী, কন্যাশ্রী,যুবশ্রী শব্দ গুলো শুনতে ভালো লাগলেও ,যুবক- যুবতীদের মনে বিছরি রকমের প্রভাব ফেলেছে তা সরকারের অজানা নয়। সামাজিক উন্নয়ন মানে মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়িয়ে দেওয়া ।আর চাহিদা বাড়াতে হলে মানুষের হাতে অর্থ চাই ।অর্থ মানে লক্ষ্মীভাণ্ডার। লক্ষ্মীভাণ্ডারের অর্থ বেশীর ভাগ মহিলারা স্নো পাউডার,ঠোঁটের রঙ কিনে বিলাসিতা জীবন যাপন করছে কেউ বা সংসার খরচ করছে ।তবে তথ্য বলছে,প্রথম প্রকারের সংখ্যা বেশী ।গ্রামে-গ্রামে অন লাইন সোপিংএর বাইক মুহূর্ত ম...

নীল দিগন্তে

 অরিত্রের ভাবনাটা জ্যামিতিক আকার নেইনি। বৃষ্টির বিন্দু মতো পৃষ্ঠাটানও নেই অথবা আঁকন্দ ফুলের ওড়ার মতো উদ্দাম নেই ।তবে পলাশ জানে না এ বসন্ত কার? নির্মাণ অনির্মাণের ভিতর চঞ্চলতা ।অপেক্ষা ।সাগর গোয়ালা জানে না আজ আবীরের খেলা ।সাগর গোয়ালা জানে না আজ দোল পূর্ণিমা। বসন্ত কার অপেক্ষা অথবা অপেক্ষা নিরসন ।যুদ্ধবাজদের সাইরেনের কান ঝালা পালা ।ইউক্রেন ফেরত তরণী ডাক্তারের।শংকর বাঙ্কার জীবন ।আরও ভয় করে । ভোর থেকে কোকিলটা ডাকছে ।ফিঙে উড়ে উড়ে শিকার করছে ।নদীর উচ্ছল গতি রুদ্ধ করে দিয়েছে সিণ্ডিকেটের উন্নয়ন ।পাহাড় কেটে বসেছে জলবিদ্যুতের টাইবার ।হাজার হাজার পলাশের সৌন্দর্য মুছে তৈরি হয়েছে স্টার নামাঙ্কিত রির্সোট ।প্রকৃতির সহনশীলতা কাজ লাগিয়ে মেকি উন্নয়নের ছাপ চারদিকে ।কিন্তু জনজীবনের মানোন্নয়ন জিঞ্জাসা চিহ্নে । আমি জানি তুমি নীরব থাকবে উন্নয়ন ।নীরবতা তোমাকে পিছু ছাড়বে না ।সুদেষ্ঞা আজ রঙ মাখবে ।নীবেদিতা আবীর মাখবে ।সেই আবীর যদি পলাশের হয় তবে তোমার মনে দাগ কাটবেই।সুরহারা বাঁশি খুঁজে পাবে নতুন সুর ।জীবনের অস্থিরতা কেটে গিয়ে পাবে নতুন আনন্দ ।সেই আনন্দের ভাগ তোমারও ।তোমার হৃদয়ের আড়োলন রেখে যাবে কারো ...

পলাশের রঙ

 বেলা বাড়ে । সুর হারাই ।কখনো মনে হয়নি তোমার তরুণ তরুণীরা অপেক্ষা করে আছে ।তাদের জন্য কিছু করা উচিত ।কিন্তু কে শোনে তার কথা ।রাজনীতি করতে করত শেষ হয়ে গেল পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষ ।divine and policy rule.একতা নষ্ট করেছে। মানুষ বিশ্বাস হারিয়ে ফেলছে ।পাশের বাড়ির সঙ্গে পাশের বাড়ির লোকের মহম্মদ নেই ।কারণ কি জানেন? রাজনীতি ।আমাদের আশা , আকাঙ্ক্ষা সবকিছু জলাঞ্জলি দিয়ে গদি দখল করে আছে ।কিন্তু কত দিন এভাবে চলবে? চলতে পারে না ।পতন যে একদিন আসবেই ।সেদিন তোমাদের পাশে কেউ থাকবে না ।পাড়া, প্রতিবেশী ,আত্মীয়,কুটুম্বরা তোমার অতীতকে মনে রাখবে । কত বসন্ত পার হলো ।পলাশের রঙ লাগলে না তরুণদের ।দাবী আন্দোলন পাল্টা দাবী শেষ করে দিল কয়েকটা প্রজন্মকে ।হাউয়ে চড়ে যাচ্ছে ধ্বসবাজরা ।নিচে কাঁদছে নিষ্পাপ তরুণ তরুণীরা ।লগ্নজিতা গেয়ে উঠছে ,বসন্ত এসে গেছে.......